পদার্থবিদ্যায় নতুন দিগন্ত

পদার্থবিদ্যায় নতুন দিগন্ত

পারমাণবিক শক্তিকে কাজে লাগিয়েই ভয়াবহ যুদ্ধাস্ত্র তৈরি হয়েছিল। বিকল্প জ্বালানির সন্ধানও পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। নিউক্লিয় বিভাজনকে কাজে লাগিয়ে তৈরি হয়েছিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। তবে আরও বেশি শক্তি সন্ধানের জন্য গবেষণা থেমে থাকেনি বিজ্ঞানীদের। সেই পথ ধরেই এসেছিল নিউক্লিয় সংযোজন বা হাইড্রোজেন বোমার ধারণা। এবার সংযোজন শক্তির অনুসন্ধানেই লরেন্স লিভারমোর ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির বিজ্ঞানীরা তৈরি করলেন নতুন মাইলফলক। গবেষণাগারে রেকর্ড পরিমাণ শক্তি বার করলেন হাইড্রোজেনের পরমাণু থেকে। সাধারণত হাইড্রোজেনের ডয়টেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম, এই দুটি আইসোটোপের সংযোজনেই বিপুল পরিমাণ তাপীয় শক্তি নির্গত হয়। গবেষণাগারে সেই সংযোজন প্রক্রিয়ায় ১.৩ মেগাজুল শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম হলেন পদার্থবিদরা। আগের তুলনায় যা ২৫ গুণ বেশি। এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে শক্তির চাহিদা মেটাতে এই বিক্রিয়াই কার্বনের বিকল্প জ্বালানি হয়ে উঠতে পারে বলে জানিয়েছেন পদার্থবিদরা। সম্প্রতি প্লাজমা পদার্থবিদ্যার এপিএস বিভাগের ৬৩তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রকাশ করা হয়েছে এই গবেষণাপত্রটি। যে প্রযুক্তিতে রেকর্ড পরিমাণ শক্তি নিষ্কাশন করা হয়েছে, পদার্থবিদরা জানিয়েছেন সেই প্রযুক্তির সহায়তায় আগামীদিনে সুর্য ও নক্ষত্রের চরিত্র বুঝতেও সাহায্য করবে বিজ্ঞানীদের।