সমুদ্রপৃষ্ঠ উঠছে, আশঙ্কায় দক্ষিণ কোরিয়ার সি-বিচ!

সমুদ্রপৃষ্ঠ উঠছে, আশঙ্কায় দক্ষিণ কোরিয়ার সি-বিচ!

দক্ষিণ কোরিয়ার পশ্চিমে এক নামী সি-বিচ সাচেওনজিন। স্ফটিকের মত নীল জল। ৪০ মিটারের বেশি চওড়া এই সি-বিচ। সার্ফাররা আর পর্যটকরা সুযোগ পেলেই চলে যেতেন, চলে যান এই সাচেওনজিনে। কিন্তু ২০১৯-এর পর থেকে সেই সুখের দিন শেষ! ২০১৯-এর পর সেই ৪০ মিটার চোড়া সি-বিচ সরু হতে হতে বর্তমানে তার প্রস্থ ৩ মিটার! সমুদ্রের ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী ঢেউ সি-বিচের বাকি অংশ ধ্বংস করে দিয়েছে! শুধু সাচেওনজিন নয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় ৪৩টি জনপ্রিয় সি-বিচকে চিহ্নিত করা হয়েছে যারা ২০১৯-এর পর চরম আবহাওয়ার শিকার! এর মধ্যে ২৫টি সি-বিচের অবস্থা খুবই খারাপ বলে জানানো হয়েছে। এবং উষ্ণায়নের প্রভাবেই এই চরম আবহাওয়া। আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন ১৯৮০ থেকে ২০২০-র মধ্যে, গত ৪০ বছরের প্রত্যেক বছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ৩.৮৩ মিলিমিটার! বিজ্ঞানীরা বলছেন দক্ষিণ কোরিয়া এককথায় ‘উপকূলীয় ভূমিক্ষয়ের’ শিকার।
স্বাভাবিকভাবেই দুর্যোগ মানুষের। পর্যটন ব্যবসা মাথায় উঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়ায় যা অন্যতম আয়ের উৎস। মাথায় উঠেছে মাছের ব্যবসা। দেশের সরকারের কি টনক নড়েছে? হতে পারে। না হলে দেশে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কেনই বা আনার পরিকল্পনা করেছে সরকার।
এটা তো চিরকালীন সত্যি যে, মানুষ জাগলে তবেই কাটবে অন্ধকারের ঘোর!