ব্রেকথ্রু প্রাইজে সম্মানিত হওয়ার পর নিজের প্রতিক্রিয়ায় গভীর কৃতজ্ঞতা জানালেন বিজ্ঞানী। তিনি জানান, ফার্মিল্যাব মিউঅন জি-২ সহযোগী গবেষকদল-এর অংশ হিসেবে তাঁদের যৌথ গবেষণা স্বীকৃতি পাওয়ায় তিনি অত্যন্ত সম্মানিত ও আপ্লুত। অসংখ্য মানুষের শুভেচ্ছা, ভালোবাসা এবং প্রশংসায় অতনু সত্যিই কৃতজ্ঞ। তবে একই সঙ্গে তিনি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট করতে চান। তাঁর কথায়, উত্তর-পূর্ব ভারত বা অসম থেকে তিনিই এই সম্মানের প্রথম প্রাপক, এমন ধারণা সঠিক নয়। তিনি জানান, সেই কৃতিত্ব আগেই অধ্যাপক বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং অ্যালিস-জিইউ গবেষকদল-এর সদস্যরা অর্জন করেছেন। তাঁরা ২০২৫ সালের ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্স-এর পুরস্কারপ্রাপকদের মধ্যে ছিলেন। অ্যালিস সহযোগী গবেষকদলে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। যারা আগে পথ দেখিয়েছেন এবং উত্তর-পূর্ব ভারতে বিজ্ঞানচর্চার শক্ত ভিত গড়ে তুলেছেন, তাঁদের প্রাপ্য সম্মান অবশ্যই দেওয়া উচিত। তাঁদের সাফল্যের প্রতি তিনি গভীর শ্রদ্ধা জানান। তিনি আরও বলেন, উত্তর-পূর্ব ভারত ও অসমের বহু গবেষক আজ আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমঞ্চে নিজেদের কাজের মাধ্যমে পরিচিতি তৈরি করছেন। এই ধারাবাহিক সাফল্য দেখে তিনি আনন্দিত। সবশেষে অতনু জানান, তাঁর এই স্বীকৃতি যদি সেই দীর্ঘ যাত্রাপথে সামান্যও নতুন কিছু সংযোজন করে থাকে, তবে সেটাই তাঁর কাছে বড় প্রাপ্তি।
