জল সম্পর্কে দু-একটা পুরনো কথা

আগস্ট ২০১৯
-সরোজ দরবার
ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর যাদবপুর থেকে মাস কমিউনিকেশনে ডিপ্লোমা। এরপর সংবাদমাধ্যমে কাজ শুরু। বর্তমানে একটি প্রকাশনা সংস্থায় কর্মরত। গদ্যকার ও কবি।

জলের কথা। বা জলের সঙ্গে কথা। অম্বু অর্থে জল। আর বাচি-র সঙ্গে বাকের সম্পর্ক তো বুঝতেই পারছ। বললেন, শ্রদ্ধেয় সাহিত্যিক জয়া মিত্র। জল নিয়েই কথা হচ্ছিল। তাঁর সঙ্গে। কিছুক্ষণ। কথা হচ্ছিল, জঙ্গল নিয়ে। প্রকৃতি আর মানুষের প্রকৃতির মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক। তা নিয়েও কথা হচ্ছিল। আর তখনই অম্বুবাচির এই অর্থ তিনি স্পষ্ট করে দিলেন। অর্থাৎ, জলের সঙ্গে কথোপকথন। কার? মাটির। কী আশ্চর্য কাব্যময়তা এই নামটুকুর মধ্যে লুকিয়ে আছে। আমি ভাবি। আর বিস্মিত হই। কারণ এই নামটুকুর মধ্যে লুকিয়ে আছে কী আশ্চর্য কুশলতা। ভূ-গর্ভে জল পৌঁছানোর। কৃষিসভ্যতার কী চমৎকার দর্শন। এবং অবশ্যই ভালোবাসা। আমরা সংকুচিত করেছি। অর্থ। এবং পরিসর। মাটি ও কৃষি। এবং সেইহেতু জলকেও। আজ, বিজ্ঞান পত্রিকায় জল নিয়ে লিখতে বসে তাই গোড়াতেই অম্বুবাচীর প্রসঙ্গটিকেই টানলাম। টানতে হল।

এই যে মাটির সঙ্গে কথোপকথন জলের, এইটেই তো এখন সবথেকে বড়ো প্রয়োজন। অম্বুবাচীর পালনীয় প্রথার আবরণ সরিয়ে নিলে থাকে এই সজল সত্যিটুকু। আষাঢ়ের বৃষ্টি নামে মাঠে, প্রান্তরে। এই তিনটে দিন ধরিত্রীকে কর্ষণ করা হয় না। ফলে জল জমে থাকার অবসর মেলে। সেই জলের খানিকটা নিশ্চিতই মাটির গভীরে গিয়েও প্রবেশ করে। এরপর কৃষির পালা। এরপর জল, বৃষ্টির জলকে নানা উপায়ে ব্যবহার করা হবে আবাদের প্রয়োজনে। কিন্তু তার আগে এই যে মাটির সঙ্গে জলের নিভৃত আলাপন, তা স্বস্তি দেয় মাটিকে। মাটির মনকে। অন্তর যদি গভীরতর কিছু হয়, তবে সেই মাটির গভীরকে, অন্তরকে বিন্দু বিন্দু জলে সিঞ্চিত করে রাখার এই হল সময়। কৃষিসভ্যতা জানত, এই জল, এই অবসর তাই কতটা জরুরি। পালনীয় প্রথার নিগঢ়ে তাই সে নিজেকে বেঁধেছে। বিরত থেকেছে কর্ষণ থেকে। কিন্তু পুঁজিসভ্যতা, বেণেসভ্যতা এ-সবের তোয়াক্কা করে না। করে না বলেই, আজ মাটির গভীরে খাঁ খাঁ শূন্যতা। পরিবেশবিদরা মাত্র আজ বলছেন না যে, ভূগর্ভের জলস্তর নেমে যাচ্ছে। বলছেন তাঁরা বহুদিনই। আমাদের টনক নড়েছে সম্প্রতি। কারণ দেওয়ালের সঙ্গে পিঠের দূরত্ব হয়তো আর বেশি নেই। তাছাড়া আজকালের দ্রুত যোগাযোগের সময়ে খরার ছবি আমরা চাক্ষুস করতে পারি প্রতিনিয়ত। ফলে আমরা খানিক ভয় পেয়ে চেঁচামেচি করছি। কিন্তু জল-সচেতন মানুষ এই ভয় পেয়েছেন বহুদিন আগে। এবং সেইমতো চেষ্টাও তাঁরা করে চলেছেন, মাটিকে কিঞ্চিৎ জল ফিরিয়ে দেওয়ার।
প্রসঙ্গত, এই জল নিয়ে যে আমাদের কত ব্রত আছে, তার ঠিক নেই। বিজ্ঞানচেতনার একটা মস্ত দিক সম্ভবত এই ব্রত, প্রথার ইত্যাদির ভিতর থেকে সভ্যতার প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানকে বের করে আনা। এই যে আমরা মন্ত্রে, পূজায় নদীকে এত সম্মান করি, তার কারণ সহজেই অনুমেয়। নদী ছাড়া, জল ছাড়া সভ্যতা গড়ে ওঠে না। কিন্তু একই সঙ্গে এটাও ভাবতে হবে যে, কেন বড়ো নদীর জলকেই আমরা বরাবর পুণ্যতোয়া ভেবে এসেছি? পুকুরের জলকে ( নেহাত কাজ চালানোর ক্ষেত্র ছাড়া) তো আমরা এ সম্মান দিইনি। আমরা এই প্রসঙ্গে আশ্রয় পাই রবীন্দ্রনাথে। তিনি আমাদের জানান, “অল্প কিছুকাল হল কালিঘাটে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমাদের পুরোনো আদিগঙ্গাকে দেখলাম। তার মস্ত দুর্গতি হয়েছে। সমুদ্রে আনাগোনার পথ তার চিরদিনের মতো বন্ধ হয়ে গেছে। যখন এই নদীটির ধারা সজীব ছিল তখন কত বণিক আমাদের ভারত ছাড়িয়ে সিংহল গুজরাট ইত্যাদি দেশে নিজেদের বাণিজ্যের সম্বন্ধ বিস্তার করেছিল। এ যেন মৈত্রীর ধারার মতো মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনের বাধাকে দূর করেছিল। তাই এই নদী পুণ্যনদী বলে গণ্য হয়েছিল। তেমনি ভারতের সিন্ধু ব্রহ্মপুত্র প্রভৃতি যত বড়ো বড়ো নদনদী আছে সবগুলি সেকালে পবিত্র বলে গণ্য হয়েছিল। কেন! কেননা এই নদীগুলি মানুষের সঙ্গে মানুষের সম্বন্ধ-স্থাপনের উপায়স্বরূপ ছিল। ছোটো ছোটো নদী তো ঢের আছে—তাদের ধারার তীব্রতা থাকতে পারে; কিন্তু না আছে গভীরতা, না আছে স্থায়িত্ব। তারা তাদের জলধারায় এই বিশ্বমৈত্রীর রূপকে ফুটিয়ে তুলতে পারে নি। মানুষের সঙ্গে মানুষের মিলনে তারা সাহায্য করে নি। সেইজন্য তাদের জল মানুষের কাছে তীর্থোদক হল না। যেখান দিয়ে বড়ো বড়ো নদী বয়ে গিয়েছে সেখানে কত বড়ো বড়ো নগর হয়েছে—সে-সব দেশ সভ্যতার কেন্দ্রভূমি হয়ে উঠেছে। এই-সব নদী বয়ে মানুষের জ্ঞানের সাধনার সম্পদ নানা জায়গায় গিয়েছে। আমাদের দেশের চতুষ্পাঠীতে অধ্যাপকেরা যখন জ্ঞান বিতরণ করেন, অধ্যাপকপত্নী তাদের অন্নপানের ব্যবস্থা করে থাকেন; এই গঙ্গাও তেমনি একসময়ে যেমন ভারতের সাধনার ক্ষেত্র ধীরে ধীরে বিস্তারিত করেছিল, তেমনি আর-এক দিক দিয়ে সে তার ক্ষুধাতৃষ্ণা দূর করেছিল। সেইজন্য গঙ্গার প্রতি মানুষের এত শ্রদ্ধা।

তা হলে আমরা দেখলাম, এই পবিত্রতা কোথায়? না, কল্যাণময় আহ্বানে ও সুযোগে মানুষ বড়ো ক্ষেত্রে এসে মানুষের সঙ্গে মিলেছে—আপনার স্বার্থবুদ্ধির গণ্ডির মধ্যে একা একা বদ্ধ হয়ে থাকে নি। এ ছাড়া নদীর জলের মধ্যে এমন কোনো ধর্ম নেই যাতে করে তা পবিত্র হতে পারে।” পুণ্যের এই স্বরূপটিও এখন প্রচারিত হওয়া আবশ্যক। কেননা ধর্ম, রিলিজিয়ন অর্থে যে ধর্ম, তা সবকিছুর ভিতর ঢুকে পড়ে বা তাকে ঢুকিয়ে দিয়ে এই বৃহত্তর সভ্যতার দর্শনকে ক্রমাগত খাটো করা হচ্ছে। আমরা ভুলে গিয়েছি, সভ্যতাকে পুষ্টি ও বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে এগুলো জরুরিই। এই জ্ঞান, এই চেতনা যে বিজ্ঞানমনস্কতার, সংস্কারমুক্ত মনের জন্ম দেয়, তাই সভ্যতার ও প্রকৃতির অপচয় রোধে মানুষকে সংহত করে তোলে। রবীন্দ্রনাথ আমাদের জানিয়ে দেন, যে স্থান আমাদের উত্তীর্ণ করতে পারে তাই-ই তীর্থ। শুধু অবিরাম আনাগোনা থাকলেই তাই হবে না। প্রয়োজন উত্তরণের। জয়া মিত্র তাঁর লেখায় উল্লেখ করছেন, প্রাচীন ভারতের ভাষায় তীর্থ শব্দের অর্থ নদীর ঘাট। দুই নদীর মিলনস্থল হল যজ্ঞের প্রকৃষ্টতম পুণ্যস্থান। রবীন্দ্রনাথের হাত ধরে এবার আমাদের বুঝে নিতে অসুবিধা হয় না ঠিক কোন অর্থে নদী পুণ্যতোয়া এবং নদীর ঘাট সভ্যতার কাছে তীর্থ স্বরুপ। শুধু তাই নয়, রবীন্দ্রনাথ এ-ও বলছেন, এই প্রসারতা, এই প্রবহমানতা যেখানে থাকবে, সেটাই তো তীর্থ। তিনি তাঁর আশ্রমের তুলনা টেনেছিলেন। আমরা সেই সঙ্গে বরং এ-ও বলি, যে মন এইরূপ প্রসারিত ও সঞ্জীবিত তাও তীর্থ। তাও আসলে একটা করে নদীর ঘাট। দুঃখের বিষয় আজ নদীও মরে যাচ্ছে। আমাদের মনও। ফলে একরৈখিক চিন্তাধারা আমাদের যত আচ্ছন্ন করছে তত বিজ্ঞানমনস্কতা থেকে আমরা পিছু হটছি। এই পুরো প্রক্রিয়াটিকেই আমাদের ভালো করে ভেবে দেখতে হবে। শুরু করতে হবে একেবারে গোড়া থেকে। কিঞ্চিৎ জল বাঁচানো অবশ্যই সাধু উদ্যোগ। কিন্তু একটা সভ্যতাকে সজল রাখতে হলে আগে ভাবনা ও মনের প্রসারতা ঘটানোটাও জরুরি।

এবং সে সবই সম্ভব যদি ভালোবাসা থাকে। একটু আগে জয়া মিত্রের যে লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম, সে বইয়ের নাম ‘জলের নাম ভালোবাসা’। বড় মায়াময় এই নামকরণ। জল তো আছেই। কিন্তু এই ভালোবাসা না থাকলে সে জল আমরা বাঁচাতে পারব না। আর পুঁজিসভ্যতা সবার আগে এই ভালোবাসাটিকেই সরিয়ে দেয়। মুক্ত অর্থনীতির হাত ধরে পুঁজির সর্বত্রগামী হওয়ার ছাড়পত্র পাওয়া এই দেশে জলের অপর নাম কেবল জীবন নয়, ব্যবসাও বটে। কোটি কোটি টাকার লগ্নি আছে মাটির গভীরে থাকা জলের জন্য। সেই বন্দি জল মাটি পাক বা না পাক, কর্পোরেট প্রভুরা তার বুক ছিঁড়ে টেনে বের করে আনে। প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটার ও সফট ড্রিঙ্কের কারবাররে কথা আমরা জানি সকলেই। এমনকী আমাদের দেশেই কর্পোরেট প্রভুদের হাতে নদী যে বিক্রি হয়ে গিয়েছে তাও আমরা জানি। কংক্রিটে মোড়া নগরায়নের ফলে মাটি নেই যে, বৃষ্টির জল ভূ-গর্ভে পৌঁছাতে পারবে। এই পরিস্থিতিতে আমরা বুঝতে পারছি, সংকট আসন্ন।

এ নিয়ে কোনও দ্বিধা নেই। সংকট বহুদিন থেকেই কড়া নাড়ছে। কিন্তু সংকট নিয়ে বাড়তি হইচই যেন আবার জলকরের পথ না খুলে দেয়। কিন্তু সে আলাদা প্রসঙ্গ। এই মুহূর্তে জলসঞ্চয়ের প্রতি আমাদের মন দিতেই হবে। একটা উপায় তো জল অপচয় ঠেকানো। অর্থাৎ, কল খুলে রাখা, বেহিসেবী জল খরচ ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা। সেই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে, মাটির গভীরে জলকে পৌঁছে দিতে হবে। পুঁজিপতিরা মূলত প্রকৃতিকে শোষণই করে। প্রাকৃতিক সম্পদের উপর ভিত্তির করেই পুঁজির মুনাফা লাভের পথ প্রসস্ত হয়। মানুষ নিজেও সেই প্রকৃতিরই একটা সম্পদ। এখন, সেই পুঁজি যে হারে জল মাটির তলা থেকে শুষেছে, সেই হারে সে ফিরিয়ে দিতে দায়বদ্ধ নয়। দেবেও না। যেভাবে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে প্রকৃতির চেনা ছন্দ ভুলিয়ে দিয়েছে, তার দায় সে স্বীকারও করবে না, তার প্রতিকারে কিছু করবেও না। কে করবে? করবে এই ভালোবাসাই। এ বিষয়ে এক আশ্চর্য বই জয়া মিত্রের ‘জলের নাম ভালোবাসা’। জলকে মাটির গভীরে পৌঁছে দিতে আমাদের দেশেই যে কত টেকনিক বা কৌশল আছে তা পরম যত্নে লিখে রেখেছেন তিনি। লিখেছেন কারণ তিনি জানেন, এই ইশতেহার একদিন জরুরি হয়ে পড়বে। এবং সকলকে হাতে হাতে তুলে নিতে হবে। প্রয়োজন হবে বৃহত্তর অনুশীলনের। পড়তে পড়তে আমি দেখতে পাই যেন ভাঁবতার সেই বাবাজীওয়ালা জোহড়ের পদ্ধতি। বৃষ্টির জলকে যেখানে দেয়াল তুলে আটকে দেওয়া হয়। তারপর সেই জল কাঁকুরে মাটি বেয়ে চলে যাচ্ছে নিচে। ফলে ভূগর্ভস্থ জলস্তর উঠে আছে। জলকষ্ট থেকে মুক্তি পাচ্ছে রাজস্থানের খরাক্লিষ্ট মানুষ। এই ধরনের বহু বপদ্ধতি আমাদের দেশেই আছে। আছে আমাদেরই অতীতে। আমরা যে-কোনও কারণে, হয়তো উন্নাসিকতাতেই সেই পদ্ধতগুলিকে অবজ্ঞা করে এসেছি। আজ প্রয়োজন হয়েছে তা ফিরে দেখবার। এই সমস্ত প্রথা, ব্রতের ভিতর থেকে আমাদের কৃষিসভ্যতার, নদীমাতৃক সভ্যতার প্রয়োজনীয় বিজ্ঞানকে খুঁজে বের করার। এবং সেই সঙ্গে অবশ্যই যে কৃষক আমাদের সভ্যতার বাহক, তাঁর কথা শোনা। কারণ এই কৃষকই তো একদিন জলের সঙ্গে মাটির কথোপকথনের ব্যবস্থা করেছিল। আরও বহু কৌশল তাঁরা জানেন। আজকের বিজ্ঞানচেতনা গড়ে তোলার কাজে যেন তাঁদের ব্রাত্য না করা হয়। কারণ ওই ভালোবাসা। মাটি ও জলকে যে ভালোবাসতে জানে, সেই-ই তাকে যথার্থ মূল্য দিতে পারে। অর্থের অধিক যে মূল্য। আজকের বিজ্ঞানচেতনার বোধহয় প্রযুক্তির সঙ্গে এই অভিজ্ঞতার সেতুবন্ধন বড়ো আবশ্যক হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নির্বিচারে গাছ কাটা, জলাশয় বোজানো, নদীর গতিপথ বদলে দেওয়া, ঝর্ণা আটকে দেওয়া – হেন অশ্লীলতা নেই যে আমরা প্রকৃতির সঙ্গে করিনি। তার উপর মাটির ভিতর থেকে জল নির্বিচারে টেনে আনা তো আছেই। তবু এখনও কিছুটা সময় আছে। প্রকৃতিকে কিঞ্চিৎ ফিরিয়ে দিলে, সেও অনেকখানি ফিরিয়ে দেবে। আমাদের প্রয়োজন এই মুহূর্তে একরকম চিন্তায় ও পরিকল্পনায় নিজেদেরকে গ্রথিত করা। রাজনীতি, দলমত ছাড়িয়ে মানুষ হিসেবে যদি প্রকৃতির ঋণ শোধ করতে আমরা একজোট হতে পারি, তবে হয়তো মানুষের সভ্যতাই আরও কিছুদিন জলকষ্ট থেকে দূরে থাকবে। আসুন তাই জলকে ভালোবসার পথে এক হই। পদ্ধতিগুলো জানি। এ-বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে যে কাজ হয়েছে বা হচ্ছে তার সঙ্গে আমাদের ধারাবাহিক পরিচিতি হোক। এবং আমরাও হাত লাগাই সে-কাজে। ‘যোগ্যতমের উদবর্তন’ নয়। সম্মিলিতের বেঁচে থাকাই আমাদের লক্ষ্য হোক। জলের ধারা আমাদের সে শিক্ষাই দেয়। বিন্দু থেকে সিন্ধু হওয়ার।

Related Post

Add Comments