অ্যান্টার্ক্টিকারও বাস্তুতন্ত্র দুর্বল করছে মানুষ

অ্যান্টার্ক্টিকারও বাস্তুতন্ত্র দুর্বল করছে মানুষ

অনেকবছর ধরে অ্যান্টার্ক্টিকা ছিল নিঃসঙ্গ, একা। শুধু পেঙ্গুইনকে নিয়ে থাকত অ্যান্টার্ক্টিকা। এছাড়া মাঝে মধ্যে অ্যান্টার্কটিকায় দেখা যেত গবেষণার জন্য কতিপয় মানুষকে। প্রসিডিংস অফ ন্যাশনাল সায়েন্স বিজ্ঞান পত্রিকায় প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণা জানিয়ে দিল অ্যান্টার্কটিকায় আর কতিপয় মানুষের আনাগোনা নেই। গবেষণা, পর্যটন আর মাছ ব্যবসায়ীদের অ্যান্টার্কটিকায় জাহাজ ঢোকানো এত বেড়ে গিয়েছে যে বরফের দেশেও মানুষের সঙ্গে ঢুকে পড়ছে অজানা প্রজাতি। ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে অ্যান্টার্কটিকার ইকোসিস্টেম। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটিশ অ্যান্টার্কটিক সার্ভের গবেষকদের করা গবেষণায় জানা গিয়েছে পৃথিবীর ১৫৮১টি বন্দরের সঙ্গে এখন অ্যান্টার্কটিকার সরাসরি যোগাযোগ! এই বন্দরগুলো থেকে বরফের দেশে জাহাজের আনাগোনা ঘনঘন। এছাড়াও ২০১৪ থেকে ২০১৮-র মধ্যে আরও ৫৩টি বন্দর থেকে জাহাজ অ্যান্টার্ক্টিকায় যাতায়াত করেছে। তারই প্রতিফলনে অজানা প্রজাতির বরফের দেশে প্রবেশ। বিজ্ঞানীরা আরও জানিয়েছেন, জাহাজ তো শুধু আনাগোনা করে না, অ্যান্টার্কটিকায় নোঙ্গর ফেলার পর অনেকদিন থাকেও। তাতেই অজানা প্রজাতির ওখানে ঢুকে পড়া সম্ভব হয়েছে।