অ্যামাজন ধ্বংসের পেছনে বহুজাতিক সংস্থাগুলোরও হাত!

অ্যামাজন ধ্বংসের পেছনে বহুজাতিক সংস্থাগুলোরও হাত!

জারা, নাইকি, রিবক, আডিডাস, কেলভিন ক্লেইন-বহুজাতিক এই ব্র্যান্ডগুলোর হাত ধরেই আধুনিক মানবসভ্যতায় জন্ম নিয়েছে স্টাইল স্টেটমেন্ট, ফ্যাশন বিপ্লব। পশ্চিমের দেশগুলোতে এই বিপ্লব জন্ম নিয়েছিল। তারপর ভারত, বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও আজ ফ্যাশনের বিপ্লব হয়েছে বহুজাতিক এই সংস্থাগুলোর হাত ধরেই। কিন্তু এই মুহুর্তে বহুজাতিক সংস্থাগুলো অভিযুক্ত! বলা হয়েছে অ্যামাজনের বিশাল জঙ্গল ধ্বংসের নেপথ্যের পেছনে রয়েছে এই বহুঞ্জাতিক সংস্থাগুলো! আন্তর্জাতিক সংগঠন স্ট্যান্ড.আর্থের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য।
সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর উৎপাদন শৃঙ্খলের দিকে তাকালে এই অভিযোগের উৎস খুঁজে পাওয়া যাবে জানিয়েছে গবেষণা। মূলত চামড়ার পোশাক, জুতো অন্যান্য নানাধরণের সামগ্রী তৈরি করে বহুজাতিক এই সংস্থাগুলি। আর সেগুলো আমদানি করা হয় ব্রাজিল থেকে। চামড়ার পাশাপাশি, বিশ্বের গো-মাংস সরবরাহকারী দেশের নামও ব্রাজিল। বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। তার সঙ্গে মানুষের খাওয়া এবং পোশাক সামগ্রীর চাহিদাও বাড়ছে। স্বাভাবিকভাবে, গবাদি পশুর বিচরণভূমি বাড়াতে ধ্বংস করা হচ্ছে অরণ্য! সংস্থাটির করা সার্ভে থেকে জানা গিয়েছে ট্যানারি ও গবাদি পশুর ফার্ম তৈরির জন্য বিগত এক দশকে অ্যামাজনে ৬৭ লক্ষ হেক্টর অরণ্য ধ্বংস হয়েছে। অভিযোগ যে, এই ধ্বংসের অধিকাংশের পেছনে দায়ী ব্রাজিলের বৃহত্তম চামড়া প্রস্তুতকারক সংস্থা ব্রাজিলের কোম্পানি জেবিএস। জেবিএসের সঙ্গে জড়িত রয়েছে নাইকি, আডিডাসের মত বিশ্বের বৃহত্তর বহুজাতিক সংস্থাগুলো। আবার জেবিএসের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে বিশ্বের বড় বড় ফ্যাশন কোম্পানিগুলোর। স্ট্যান্ড.আর্থের অভিযোগ, ব্রাজিলের সরকারও অরণ্য নিধন আটকাতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। যার ফলে ক্রমশ শেষ হয়ে যাচ্ছে পৃথিবীর ফুসফুস!