আমাজনের চরিত্র বদল

আমাজনের চরিত্র বদল

ছিল কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষণের অন্যতম আধার। হয়ে গেল কার্বন-ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের যন্ত্র। পৃথিবীর বৃহত্তম জঙ্গল আমাজনের চরিত্র এভাবেই বদলে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। গবেষকদের মনে হচ্ছে আমাজনের চরিত্রের এই অশুভ পরিবর্তন গোটা পৃথিবীর কাছেই বিপজ্জনক! গবেষণা জানাচ্ছে মূলত আমাজনের পূর্ব দিকটাই মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের নিউক্লিয়াস হয়ে উঠেছে। কারণ এই জঙ্গলের অংশটিকে শোষণ করতে হয় গাড়ির ধোঁয়া, ট্রেন, বিমান, এবং তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বায়ুদূষণ। বিশ্বের বৃহত্তম এই রেনফরেস্ট যেভাবে মানুষের সৃষ্টি করা গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে তাতে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বের আবহাওয়ার ব্যপকভাবে পরিবর্তন হবে এবং বিশ্বে প্রাকৃতিক দুর্যোগের সংখ্যাও অনেক বেড়ে যাবে। আন্তোনিও নব্রে এক অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী এবং আমাজন বিশেষজ্ঞ। বলেছেন, “আমাজনের গাছগুলো আসলে বাথরুমের গিজারের কাজ করে। বৃষ্টির জলকে বাষ্পীভূত করে গাছ সেই জলীয় বাষ্পকে জঙ্গল জুড়ে ছড়িয়ে দেয়, সৃষ্টি হয় অদৃশ্য ও বিশাল ঊড়ন্ত নদী। যাকে বলে ‘রিভার্স অফ রেনফল’। অন্তত ২০ বিলিয়ন টন জল বাষ্পীভূত হয় আমাজন থেকে প্রত্যেকদিন।” নব্রের আশঙ্কা, এই বাষ্পীকরণ রোজ কমে যাচ্ছে দূষণের ফলে। মানুষ বাঁচবে তো আগামীদিনে? সময়ই একমাত্র পারে উত্তর দিতে।