ধ্বংসাবশেষ থেকে বাঁচতে অবতরণ স্পেস স্টেশনের

ধ্বংসাবশেষ থেকে বাঁচতে অবতরণ স্পেস স্টেশনের

মহাকাশে ভরশূন্য অবস্থায় ঘুরে বেড়াচ্ছে বিশাল এক ধ্বংসস্তুপ! পেগাসাস রকেটের ধ্বংস্তুপ। ১৯৯৪-এ সেটা মহাকাশে পাঠিয়েছিল নাসা। ১৯৯৬-এ ধ্বংস হয়ে যায় সেটা। তারপর থেকে সে আবর্জনা হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মহাকাশে। সেই আবর্জনা আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনের দিকে আসছিল। তার থেকে বাঁচতে স্পেস স্টেশনকে তার কক্ষ থেকে এক ধাপ নীচে অবতরণ করতে হল। মহাকাশে যাওয়া বহু কৃত্রিম উপগ্রহ এবং মহাকাশচারীদের জীবন সুরক্ষার সম্প্রতি এরকম একাধিক ঘটনা ঘটছে। এটা তার মধ্যে সাম্প্রতিকতম ঘটনা। গত মাসে রাশিয়া পরীক্ষামূলকভাবে মহাকাশে অ্যান্টি-স্যাটেলাইট ক্ষেপণাস্ত্র পাঠানোর পর থেকেই পরপর কয়েকটি ঘটনা ঘটল। যেখানে মহাকাশে ভেসে বেড়ানো আবর্জনার স্তুপের (স্পেস জাঙ্ক) সংঘর্ষ এড়ানোর বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, রাশিয়ার এই কাজের পর থেকেই মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহগুলির কক্ষে চলে আসছে বিশাল ধ্বংস্তুপ। উপগ্রহগুলিকে তাদের নির্দিষ্ট কক্ষ থেকে সরে যেতে হচ্ছে। অসুবিধে হচ্ছে উপগ্রহগুলির কাজকর্মের।
রাশিয়ার স্পেস এজেন্সি রসকমোস জানিয়েছে, স্পেস স্টেশনকে তিন মিনিটের জন্য তার কক্ষ থেকে ৩১০ মিটার নেমে যেতে হয়েছে আবর্জনার সঙ্গে সংঘাত এড়াতে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলেছে, ৮ ডিসেম্বর যে সোয়ুজ এমএস-২০ রকেট মহাকাশে পাঠানোর কথা তার ওপর এই ঘটনার কোনও প্রভাব পড়বে না।