ম্যাগনন হল চৌম্বক পদার্থের ভেতরে ইলেকট্রনের স্পিনের দ্বারা উৎপন্ন এক ধরনের তরঙ্গ। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি পরীক্ষার জন্য সবচেয়ে উপযোগী চৌম্বক পদার্থ খুঁজছিলেন। সেই পরীক্ষার মাঝেই তাঁরা পেলেন এক নতুন ধরনের ম্যাগননের সন্ধান। এটি আগের পরিচিত ম্যাগননের তুলনায় প্রায় ১০০ গুণ বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে। ভবিষ্যতের কম্পিউটিং প্রযুক্তিতে এই তরঙ্গ দিয়েই তথ্য আদান-প্রদান করার স্বপ্ন দেখছেন গবেষকরা। কারণ এতে ইলেকট্রনের চলাচলের প্রয়োজন হয় না, তাই শক্তির অপচয় কম, ফলে তথ্য আদান-প্রদানও হতে পারবে আরও দ্রুত ও দক্ষভাবে। এতদিন একটি বড় সমস্যা ছিল ম্যাগননের স্বল্প আয়ু। সাধারণত কয়েকশ ন্যানোসেকেন্ডের মধ্যেই এটি হারিয়ে যেত। এত অল্প সময়ের মধ্যে কোয়ান্টাম তথ্য সংরক্ষণ বা প্রক্রিয়াকরণ বেশ কঠিন। এই সীমাবদ্ধতার পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন আবিষ্কারটি এত গুরুত্বপূর্ণ।
গবেষকরা অত্যন্ত বিশুদ্ধ একক-কেলাস ইট্রিয়াম আয়রন গারনেট (YIG) দিয়ে তৈরি তিনটি ছোট গোলক নিয়ে পরীক্ষা করছিলেন। লক্ষ্য ছিল, কোনটিতে ম্যাগনন সবচেয়ে বেশিক্ষণ টিকে থাকে তা জানা। পরীক্ষার সময় তারা এমন এক নতুন শ্রেণির হ্রস্ব তরঙ্গের ডাইপোল-এক্সচেঞ্জ ম্যাগননের সন্ধান পান, যার আয়ু প্রায় ১৮ মাইক্রোসেকেন্ড। শুনতে ছোট মনে হলেও কোয়ান্টাম প্রযুক্তির জগতে এ এক বিশাল অগ্রগতি। অধ্যাপক আন্দ্রি চুমাক বলেছেন,”১৮ মাইক্রোসেকেন্ডের এই আয়ু কোয়ান্টাম কম্পিউটারে বর্তমানে ব্যবহৃত ট্রান্সমন সুপারকন্ডাক্টিং কিউবিটের সঙ্গে প্রায় সমমানের। ফলে ম্যাগননকে আর শুধু ক্ষণস্থায়ী তথ্যবাহক হিসেবে নয়, নির্ভরযোগ্য কোয়ান্টাম মেমোরি হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে”। তবে এর সম্ভাবনা আরও বড়। বিজ্ঞানীদের ধারণা, ভবিষ্যতে এই দীর্ঘায়ু ম্যাগনন একটি চিপের
